
আমরা জানি প্রতিটি বিষয়ের সুবিধা যেমন থাকে কিছু অসুবিধাও থাকে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। যৌথ মালিকানায় জমি কিনে ফ্ল্যাট করার বিষয়টি ঢাকাতে বেশ কয়েক বছর যাবত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সাধারণত দেখা গেছে কিছু সমমনা মানুষ, আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব একত্রিত হয়ে এইধরনের প্রোজেক্ট গুলো করেছে। এই ধরনের প্রোজেক্ট সফল যেমন হয়েছে তেমন বিফলতার হার কিন্তু কম নয়। অনেকে অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীনও হয়েছে।
আমরা জানি বহুতল বাড়ি বানানোর কাজগুলো দীর্ঘসূত্রী হয়। কমপক্ষে ২-৩ বছর সময় লাগে। জমির কাগজপত্র যাচাই থেকে শুরু করে জমির দলিল করা, রাজউক অনুমোদন নেয়া, নির্মাণসামগ্রী কেনা, যাচাই করা সকল ক্ষেত্রেই অভিজ্ঞতার প্রয়োজন আবশ্যক। পুরোপুরি নিজেরা যারা এই সকল কাজ করতে চায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়-
- অনভিজ্ঞতা,
- যোগ্য লোকের অভাব,
- সমমনা মানুষদের খোঁজা ও একত্রিত করা,
- শেয়ারহোল্ডারদের সময়ের অভাব,
- আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা,
- কিছু শেয়ারহোল্ডারদের কিস্তি দিতে ব্যর্থতা,
এই সকল সমস্যার কারণে প্রোজেক্টগুলো ব্যর্থ হয়।
সমস্যা থেকেই সার্ভিস বা প্রোডাক্টের উৎপত্তি হয়। আমাদের চেয়ারম্যান ও এম ডি স্যার ড্রীমওয়ে হোল্ডিংস লিঃ প্রতিষ্ঠার পূর্বে নিজেদের বন্ধুবান্ধব ও কলিগদের নিয়ে করা প্রোজেক্টগুলোতে এই সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হয়েছেন। তারা চিন্তা করে দেখলেন এই পুরো প্রক্রিয়াটাকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিলে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। কিভাবে ? আসুন দেখি,
- পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় প্রতিটি কাজের যোগ্যলোক নিয়ে আমাদের টিম সুসংগঠিত।
- ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত সমমনা মানুষদের কমিউনিটি গঠন করছি।
- শেয়ারহোল্ডারদের পক্ষ থেকে সমস্ত কাজ আমরা নিষ্ঠার সাথে করছি। তাই আপনাকে শুধুমাত্র তত্ত্বাবধান করলেই হচ্ছে।
- শেয়ারহোল্ডারদের মধ্য থেকে গঠন করা ক্রয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে আর্থিক লেনদেন ও ব্যবস্থাপনা করা হয়।
- সবচেয়ে বড় বিষয় কোন কারণে যদি একজন শেয়ারহোল্ডার কিস্তি দিতে ব্যর্থ হয়। আমরা আলোচনা সাপেক্ষে তিন কিস্তি পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা দিয়ে থাকি। ফলে আমাদের নির্মাণ কাজ কখনো থেমে থাকে না।
এভাবেই ড্রীমওয়ে হোল্ডিংস লিঃ এর সৃষ্টি। আপনার স্বপ্ন যাতে থমকে না যায় সেই দায়িত্ব আমাদের। আমাদের সৃষ্টিই হয়েছে যৌথ মালিকানার প্রোজেক্টগুলোর সমস্যাগুলো সমাধান করার লক্ষ্যে।
ধন্যবাদ।

Recent Comments